Menu Close
how to make career 2B as a graphic designer 2B and earning in 2020

অনেকে শখের বসে গ্রাফিক ডিজাইন শুরু করে থাকেন, বর্তমানে সকল সেক্টরে  কমবেশি গ্রাফিক ডিজাইনের ছোয়া রয়েছে। অফলাইন ও অনলাইন এই দুই ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনের ব‌্যাপক চাহিদা রয়েছে। অফলাইনে বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রিন্টিং প্রেসগুলাতে গ্রাফিক ডিজাইন ও গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা অনেক।  এবং অনলাইনেও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজাইনারের ব‌্যাপক চাহিদা বিদ‌্যমান।

এই দুইটি বিষয় থেকে আপনাদের অনেকের হয়ত ধারণা হয়ে গেছে যে, অফলাইন বলেন অথবা অনলাইন দুই ক্ষেত্রে গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ক‌্যারিয়ার গড়তে পারলে বর্তমান সময়ে ভাল একটা আয় করা সম্ভব। গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে ক‌্যারিয়ার গড়ে দুইটি পদ্ধতিতে আয় করা যায়। এই দুইটির পদ্ধতির বিস্তারিত নিম্নে বর্ণনা করা হল।

১) অফলাইন

২) অনলাইন

এখন এই দুইটি পদ্ধতির বিস্তারিত জানব আমরা। কিভাবে এই দুইটি পদ্ধতির মাধ‌্যমে আয় করা যায়। এবং অফলাইন ও অনলাইনের মধ‌্যে কোনটি ভাল সেটা সম্পর্কেও জানব।

১) অফলাইন

অফলাইনে গ্রাফিক ডিজাইনারের কাজ বিভিন্ন ডিজাইন সম্পর্কিত কোম্পানি ও প্রিন্টিং প্রেসগুলোতে হয়ে থাকে। এবং সে সকল সেক্টর গুলিতে কাজের পরিমাণ ও চাপ বেশি হয়ে থাকে। কাজের পরিমাণ ও চাপ বেশি হওয়ায় অনেকে গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।  প্রিন্টিং প্রেসগুলোতে মূলত ব‌্যানার, পোস্টার, লিফলেট, বিজনেস কার্ড ইত‌্যাদির কাজ হয়। এবং প্রিন্টিং প্রেসে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে হলে অনেক ধৈর্য‌্যশীল হতে হয়।

প্রিন্টিং প্রেসে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের বেতন অনেক কম হয়ে থাকে। আর প্রতিদিন ১২-১৪ ঘন্টা কাজ করতে হয়, তবে সকল প্রিন্টিং প্রেসে কাজের সময় অবশ‌্য এক নয়। মূলত অফলাইনে আপনাকে অনেক সংগ্রাম করতে হবে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে। তবে আপনি যদি টেকনিক জানেন আপনার কাছে অফলাইনের কাজটাই ভাল লাগবে।

career 2Bas 2Ba 2Bgraphic 2Bdesigner 2Band 2Bearn 2Bin 2B2020

২) অনলাইন

অফলাইনের তুলনায় অনলাইনে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদা অনেক বেশি। এবং অফলাইনের তুলনায় অনলাইনে কাজের ক্ষেত্র অনেক বেশি। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। তাদের মধ‌্যে কিছু নিম্নে বর্ণিত হলঃ

লোকাল ক্লায়েন্ট

লোকাল ক্লায়েন্ট বলতে নিজ দেশের কোন ক্লায়েন্টের কাজ করা। মনে করেন, আপনি নিজ দেশী কোন ক্লায়েন্টের কাজ করে দিলেন সেটাই লোকাল ক্লায়েন্ট। এই পদ্ধতিতে কোন ক্লায়েন্টের যদি আপনার কাজ ভাল লাগে, তাহলে সে আপনাকে দিয়ে তাঁর কাজটি করিয়ে নিবে। তবে এই পদ্ধতিতে কাজ খুব কমই পাওয়া যায়।

রেগুলার মার্কেটপ্লেস

রেগুলার মার্কেটপ্লেস বলতে এখানে আমি বুঝিয়েছি যে, ফাইবার, ফ্রিল‌্যান্সার, আপওয়ার্ক ইত‌্যাদি মার্কেটপ্লেস গুলোকে। এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে মূলত বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টরা কাজ দিয়ে থাকেন। এবং এই মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে কাজ নেওয়ার নিয়ম সম্পূর্ণ ভিন্ন, একটির কাজ নেওয়ার পদ্ধতি কখনো অ‌ন‌্যটির সাথে মিলে না। তাই, এই সকল মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করার পূর্বে  তাদের নিয়ম নীতি সমূহ অবশ‌্যই জেনে নিতে হবে। আপনি যদি অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে এই পদ্ধতিতে ভাল একটা আয় করতে পারেন ।

মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস

গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ক‌্যারিয়ার গড়ার পর আপনি যদি চান স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। তাহলে, আপনার জন‌্য মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস সবচেয়ে ভাল হবে। কারণ, মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনার কাজের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। কারণ মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেসসমূহের নিয়ম মেনে আপনি যখন আপনার ডিজাইন করা কোন ফাইল আপলোড করেন।

এবং সেটা যদি সে মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেসে অ‌্যাপ্রূভ হয়। তাহলে, সে ডিজাইন থেকে আপনার আজীবন ইনকাম হতে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ডিজাইনটি কেউ কিনবে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার আয় হতে থাকবে। বিষয়টা অনেক মজার তাই না! আপনার কাজের গুণমান যদি ভাল হয় তাহলে আপনি এই পদ্ধতিতে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ভাল আয় করতে পারেন।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে যদি ক‌্যারিয়ার গঠন করেন। তাহলে কোন পদ্ধতি নিয়ে আপনি কাজ করতে চান অব‌শ‌্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

নতুন পোষ্ট পেতে অবশ‌্যই আমাদের ওয়েবসাইটিকে ফলো করে রাখবেন। পোষ্টটি ভাল লাগলে অব‌শ‌্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। পোষ্টটি পড়ার জন‌্য আপনাকে ধন‌্যবাদ।

অন্যান্য পোস্টসমূহঃ

error: Content is protected !!