Menu Close

ক্যারিয়ারঃ

আমরা অনেকেই নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত থাকি। ভেবে বুঝতে পারি না ক্যারিয়ার হিসেবে কোন পথটি বেছে নিব।ক্যারিয়ার বেছে নেবার ক্ষেত্রে কোনটি বেছে নিব তার কিছু সহজ উপায় সম্বন্ধে আজকের আর্টিকেলে লিখবো। আমাদের সবার মধ্যে কোন না কোন প্রতিভা আছে। যেমন কেউ ভাল লেখালেখি করতে পারে, পড়াতে পারে, বিভিন্ন বিজনেস আইডিয়া বের করতে পারে, ভাল রান্না করতে পারে, ভাল ইংরেজি বলতে পারে, ভাল গণিত ও বিজ্ঞান পারে ইত্যাদি।

যারা লেখালেখি ভাল করতে পারেনঃ

ব্লগ শব্দটি ইংরেজি Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যা এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিলান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে।

বেশিরভাগ ব্লগই কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়সম্পর্কিত ধারাবিবরণী বা খবর জানায়। বাকীগুলো ব্যক্তিগত অনলাইন দিনলীপি। একটি ব্লগ হলো লেখা, ছবি, অন্য ব্লগ, ওয়েব পেইজ, এ বিষয়ের অন্য ওয়েব সাইটের লিংক ইত্যাদির সমাহার। জানা-অজানা বিভিন্ন বিষয়গুলো, অথবা সাম্প্রতিক কোন বিষয়সমূহ  নতুন করে সহজ ও বোধগম্য ভাবে জানানো, কিংবা নিজের অভিব্যক্তি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হলো ব্লগিং।

ক্যারিয়ার হিসাবে কোনটি বেছে নেবেন?
ক্যারিয়ার হিসাবে কোনটি বেছে নেবেন?

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা, বিভিন্ন স্পনসরসিপ, অ্যাফিলিয়েশন ও অ্যাডভারটাইসমেন্ট থেকে ইনকাম সোর্স সৃষ্টি হওয়ার ফলে সারা বিশ্বে তথা বাংলাদেশেও ব্লগিং এর চাহিদা ক্রমশই বেড়েই চলেছে। আপনি যদি ব্লগিং শুরু করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে নিম্ন লিখিত জিনিসগুলো।

  • একটি ডিজিটাল মোবাইল, ট্যাব, ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার
  • একটি ইন্টারনেট কানেকশন।
  •  একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট।
  • বাংলায় লেখার জন্য বিজয় অথবা অভ্র সফটওয়্যার।
  • ব্লগিং সাইটে লেখার একটি অ্যাকাউন্ট।

এভাবে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আপনি একটি প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করতে পারেন।এছাড়াও আপনি বই লিখে ইনকাম করতে পারেন। অ্যামাজন কিন্ডলে আপনি আপনার বই পাবলিশ করে ভাল একটি ইনকাম তৈরি করতে পারবেন।

 

ফ্রিলান্সিং করতে ইচ্ছুক যারাঃ

বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ। অন্যদিকে বাংলাদেশে চাকরি যেন সোনার হরিণ। তাই অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুকছেন বর্তমানে। কারন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গঠন করেন আপনাকে কারো কাছে চাকরির জন্য ধন্যাদিতে হবে না। আপনার কাজের সময় ও ইচ্ছা সম্পূর্ন আপনার নিজের। ফ্রিল্যান্সিং এর  মত স্বাধীন পেশা আর হয় না। ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কিভারে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন সে বিষয়ের উপর কয়েকটি পোস্টে আমি বিস্তারিত লেখেছি। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে থাকলে পোস্টগুলোতে একবার চোখ বুলিয়ে আসতে পারেন।

 

ই-কমার্স বিজনেসঃ

ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য কেনা বেচা, অর্থ লেনদেন এসব হচ্ছে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য। ই-মেইল, ফ্যাক্স, অনলাইন ক্যাটালগ, ইলেক্ট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই), ওয়েব বা অনলাইন সার্ভিসেস ইত্যাদির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সাধারণত ই-কমার্স সুসম্পন্ন হয় এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আরেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (বি টু বি) মধ্যে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তার (বি টু সি) মধ্যে, ভোক্তা ও ভোক্তার (সি টু সি) মধ্যে। এক কথায় প্রায় স্বয়ংক্রিয় আদান-প্রদানের এই বিপণন প্রক্রিয়ার নাম হচ্ছে ই-কমার্স।

বাংলাদেশে ই-কমার্সের কিছু জনপ্রিয় সাইট উল্লেখ করা হলো:

  1. রকমারি.কম
  2. ক্লিকবিডি
  3. বিক্রয়.কম
  4. এখনি.কম
  5. হটঅফারবিডি.কম
  6. প্রিয়শপ.কম
  7. উপহারবিডি
  8. ই-বে
  9. আমাজন
  10. ইজিটিকেট
  11. আইটিবাজার২৪

উন্নততর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আলিবাবা ডটকম নামের সাইটটি সারা পৃথিবীতে সেবা দিয়ে চলেছে।সেদিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আমাদের যেকোনো পণ্যও ই-কমার্সের কল্যাণে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ক্রেতাই ঘরে বসে অর্ডার দিতে পারবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যেই সেই পণ্য পৌঁছে যাবে ক্রেতার ঠিকানায়; লেনদেনেও থাকবে না কোনো অনিয়ম বা ভোগান্তি।

 

শিক্ষকতাঃ

বাংলাদেশে শিক্ষকতা পেশার অনেক চাহিদা রয়েছে যেমন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি আপনি বিদেশেও শিক্ষকতা করতে পারেন। এছাড়াও আপনি পার্ট টাইম হিসেবে টিউশন করাতে পারেন। এতে আপনার বাড়তি ইনকাম হবে।যারা কোন বিষয়ে দক্ষ তারা শিক্ষকতাকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারেন।


নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন ফেসবুকটুইটার পেইজ-এ। পোষ্টের ভুলসমূহ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পোষ্টটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে এবং আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

অন্যান্য পোস্টসমূহঃ

error: Content is protected !!