Menu Close

কোষঃ

কোষ নিউক্লিয়াস, cell nucleusকোষ বা cell নামটি এসেছে ল্যাটিন cellula শব্দ থেকে তার বাংলা অর্থ কোষ। ১৬৬৫ সালে রবার্ট হুক কোষ নামকরণ করেন। রবার্ট হুক রয়েল সোসাইটি আব লন্ডন এর যন্ত্রপাতির রক্ষক নিযুক্ত ছিলেন। ১৬৬৫ সালে তিনি রয়েল সোসাইটি আব লন্ডন এ নিযুক্ত হয়ে ভাবলেন সামনের সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত বিজ্ঞ বিজ্ঞানীদের সামনে একটা ভালো কিছু উপস্থাপন করবেন। তিনি অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে কিছু একটা করতে চেষ্টা করছিলেন এমন সময় তিনি দেখেন কাঠের ছিপি দেখতে নিরেট অথচ পানিতে ভাসে তাই তিনি এর ছোট অংশে বিভক্ত করে পর্যবেক্ষণ করলেন এবং দেখতে পান এর মধ্যে মৌমাছির বাসার মতো অনেক ছোট ছোট ছিদ্র বা ঘরের মতো ঠিক যেরকমটা আশ্রমের ‌সন্নাসীদের বা পাদ্রীদের থাকার জন্য এমণ ছোটো ছোট ঘর বানিয়ে থাকে তাই তিনি কোষের নামকরণ করেন সেল।

কোষের গঠনঃ

 

কোষের বৈশিষ্ট্য

১। একটি কোষে জিবনের জন্য সকল প্রয়জনীয় উপাদান থাকে।

২। একটি কোষ তার প্রয়জনীয় সকল কাঁচামাল সংগ্ৰহ করতে পারে।

৩। একটি কোষ তার সংগ্ৰহ করা কাঁচামাল থেকে শক্তি উৎপাদন করতে পারে।

৪। একটি কোষ নিজে থেকে বেড়ে উঠতে পারে ও তার বেড়ে ওঠাটা সুনিয়ন্ত্রিত হয়। 

৫। একটি কোষ নিজে থেকে চারোপাশের সকল উত্তেজনায় সারা দিতে পারে।

৬।একটি Homeostatic অবস্থা (অর্থাৎ পরিবেশের অবস্থার তারতম্যের মাঝেও অভ্যন্তরীণ স্থিতিঅবস্থা) বজায় রাখতে পারে।

৭| চারোপাশ পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে নিজেকে আভিজোজিত করতে পারে বা মানিয়ে নিতে পারে।

‌কোষের প্রকারভেদঃ

কাজের উপর ভিত্তি করে কোষকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়

(ক)দেহকোষ।

(খ)জনন কোষ।

কোষ বিভাজনঃ

কোষ বিভাজন তিন প্রকার। যথাঃ

(ক) অ্যামাইটোসিস

(খ) মাইটোসিস

(গ) মিয়োসিস

 

অন্যান্য পোস্টসমূহঃ

error: Content is protected !!