Menu Close

রোজার সময়ঃ


রোজার সময় ঘন্টার সাথে নয় বরং সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। রোজার প্রকৃত সময় হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়কাল। কাজেই সুবহে সাদিক এর আগ পর্যন্ত পানাহার করা স্ত্রীর সাথে সহবাস করা সবকিছু জায়েয। একই ভাবে সূর্যাস্তের পরে উপরোক্ত কাজগুলো জায়েয হবে।

সেহরি খাওয়া পর এবং রোজার নিয়ত করার পর রাত থাকলেও কিছু খাওয়া বা স্ত্রীর সাথে সহবাস করা না জায়েয না। তবে সুবহে সাদিক এর সময় হয়েছে কিনা সন্দেহ থাকলে এ কাজগুলো না করা উচিত হবে। তবে এই অবস্থায় পানাহার করলেও রোজা হবে। কিন্তু যদি কেউ নিশ্চিত ভাবে জানে যে, সুবহে সাদিক এর পরে পানাহার করা হয়েছে তবে সেই রোজার কাজা হবে।

সূর্যাস্ত হয়েছে ভেবে যদি কেউ ইফতার করে এবং পরে দেখা যায় যে সূর্যাস্তের সময় হয়নি তবে সেই সময় থেকে বাকি সময়টা রোজা অবস্থায় কাটাতে হবে এবং ঐ রোজার কাজা করতে হবে।

সূর্যাস্ত হয়েছে কিনা এই বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকলে ইফতার করা জায়েয না। সন্দেহ নিয়ে ইফতার করলে রোজা কাজা করতে হবে। যদি সন্দেহ নিয়ে ইফতার করার পর জানা যায় সূর্যাস্ত হয়নি তবে কাজা এবং কাফফারা উভয় ওয়াজিব হয়ে যাবে।

সেহেরির দোয়া (রোজার নিয়ত):


দোয়াঃ نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমজান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম, তুমি আমার পক্ষ হতে তা কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

রোজার মাস শুরু হলেই অনেকে রোজার নিয়ত বা সেহেরির দোয়া নিয়ে চিন্তিত হয়ে ওঠেন। সাধারন মানুষের ধারনা, রোজার আরবি নিয়ত মুখে বলতে হয় তা না পারলে কমপক্ষে এতটুকু বলতে হয় যে, আমি আগামীকাল রোজা রাখার নিয়ত করছি। এ ধারণাটি ভুল। কারণ রোজা রাখার জন্য মুখে নিয়ত পড়া জরুরী নয়, অন্তরে রোজার সংকল্প করাই যথেষ্ট। এমনকি রোজার উদ্দেশ্য নিয়ে সেহরি খেলে রোজার নিয়ত করা হয়ে যায়। সুতরাং এটা ভাবার কোন কারন নেই যে মুখে সেহেরির দোয়া না পরলে রোজা হবে না।

আরো পড়েন

সেহেরির দোয়া, ইফতারের দোয়া, সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

তথ্যসূত্রঃ


 

অন্যান্য পোস্টসমূহঃ

error: Content is protected !!